দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন সরকারের যাথাযথ পদেক্ষেপ! ||আমার খবর - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Sunday, June 21, 2020

দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন সরকারের যাথাযথ পদেক্ষেপ! ||আমার খবর

দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে আমাদের কপালে ভয়াবহ দুর্ভোগ আছে। জীবন যেভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে ঠিক তেমনি দেশের অর্থনীতি ও চরমভাবে ঝুঁকি তে রয়েছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রদের ভবিষ্যত!

গবেষকরা মনে করেন করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনো দুই থেকে তিন বছরের মতো সময় লাগতে পারে, করোনা ভ্যাকসিন কবে নাগাদ আসবে তার ও সঠিক কোন সময় জানা নেই। দেশের সাস্থ্য  খাতের চরম অব্যবস্থাপনা জাতির সামনে আজ দৃশ্যমান! দেশ সিঙ্গাপুর হলেও স্বাস্থ্যখাতে এখনো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নিম্নমূখী  তা ভালো করেই জনগণ বুঝতে পারছে।

আর বিষয়টা সরকারের মন্ত্রী-এমপি কিংবা কোন আমলার জানার কথাও নয়। কারণ তারা কিংবা তাদের পরিবারের কারো যদি জ্বর সর্দি কিংবা কাশি হলেই তো তারা সিঙ্গাপুর কিংবা বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য চলে যেতেন। দেশে যারা চিকিৎসায় নিতেন না। তাদের দেশের চিকিৎসা খাত সম্পর্কে ধারণা না থাকাটাই স্বাভাবিক।তারা হয়তো ভাবতেন আমাদের মতো সবাই এমন উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন।আর এর বাহিরে দেশের ধনী শ্রেণীর লোকেরা চিকিৎসা নিতো প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে।সে হাসপাতালগুলোতে আমাদের মত সাধারন মানুষ যাওয়ার কথা কখনো চিন্তাই করতে পারতাম না।
তাই দেশে মোটামুটি যে চিকিৎসা ছিল তাও ছিল প্রাইভেট হাসপাতাল নির্ভর। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর চরম অব্যবস্থাপনার খেসারত এখন জনগণ কে দেওয়া লাগতেছে।

অপর দিকে দেশের অর্থনীতির ও বেহাল দশা, এভাবে চলতে থাকলে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকদের না খেয়ে থাকা লাগবে।সরকারি চাকরিজীবীদের বাহিরে আজ কেউ ভালো নেই! দেশের প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষ গুলো ও রয়েছে একপ্রকার আতংকের মধ্যে!কবে কখন তাদের চাকরি চলে যায় তাও বলা দুষ্কর।

এ ছাড়া ও দেশের হাজার হাজার কওমি, নুরানী,হেফজ ও প্রাইভেট মাদ্রাসার লাখ লাখ শিক্ষকগণ মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মাদ্রাসা চালু না হওয়ায় মাদ্রাসার আয়ের উৎস গুলো বন্ধ বিধায় শিক্ষকদের বেতন ভাতা ও রয়েছে বন্ধ।তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে এভাবে আর কতদিন চলতে পারবেন আল্লাহ ই ভালো জানেন!

তাই প্রয়োজন গভমেন্টের সঠিক ও যথার্থ সিদ্ধান্ত! স্বাস্থ্য খাতের প্রতি বিশেষ নজরদারি দেওয়া। পর্যাপ্ত ডাক্তার নার্স সহ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত ও গতিশীল করা।যাতে রাষ্ট্রের সকল নাগরিক চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারে।
পাশাপাশি করোনার কারণে যেই সমস্ত নাগরিকরা তাদের কর্মসংস্থানে যেতে পারে না কিংবা কর্মস্থল বন্ধ রয়েছে বা বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের যথাযথ তালিকা তৈরি করে বিশেষ প্রণোদনার আওতায় নিয়ে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা।
এবং আমরা জনগণের প্রয়োজন পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সচেতন থাকা। প্রশাসনের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ যথাযথ  বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করা‌। এবং বেশি বেশি তাওবা ইস্তেগফার করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করে তার সাহায্য চাওয়া।সকল প্রকার গুনাহের কাজ ও অশ্লীলতা পরিহার করা।

এর বাহিরে চলমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।তাই আসুন সময় থাকতে আমরা সচেতন হয় নিজে বাঁচি অন্যকে বাঁচতে সাহায্য করি।

No comments:

Post a Comment

Pages