মম হৃদয়ে মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদ রহ. - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Tuesday, June 16, 2020

মম হৃদয়ে মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদ রহ.

আইনুদ্দীন অাল আজাদ একটি নাম,একটি বিপ্লব,একটি নতুন চেতনার নাম।রাজনৈতিক চশমা আর দলীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সাংস্কৃতিক ময়দানে কাজ করে গেছেন।এক বুক ব্যথা নিয়ে তিনি ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিচরণ করেছিলেন।অপসংস্কৃতির কবল থেকে সমাজ কে রক্ষা করতে তিনি যে প্রয়াস চালিয়েছেন তা যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।বাংলার অাকাশে যখন অপসংস্কৃতির কালো মেঘে ঢেকে গেছে।যখন ছাত্র ও যুব সমাজ নিজেদের ইতিহাস,ঐতিহ্য ভুলে গিয়ে আপন সত্তাকে বিকিয়ে দিচ্ছে তখন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেন মাওলানা আইনুদ্দীন অাল আজাদ রহ।
শুধু মাত্র ইসলামের স্বার্থে তিনি ইসলামী সংগীত গেয়েছেন।তার সংগীতে সমাজের প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠেছে।তাঁর কণ্ঠে কখনো মানবতার সুরে কেঁদে উঠত আমজনতার প্রাণ,কখনো বিপ্লবী কণ্ঠে ঝরতো অগ্নি।টেকনাপ থেকে তেতুলিয়া রূপসা থেকে পাথুরিয়া যুব সমাজ কে পশ্চিমা অপসংস্কৃতির করালগ্রাস থেকে বাঁচাতে ছুটে বেড়িয়েছেন সাগরসম ব্যথা বুকে নিয়ে।ইসলামী সংগীতের সম্রাট খ্যাত আইনুদ্দীন অাল আজাদকে যারা প্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছেন তাদের ভালোবাসায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরব এগিয়ে যাচ্ছে।আজ ছোট বড় সবার মোবাইলে  কলরব এর ইসলামী সংগীতে ভরা। আইনুদ্দীন রহ এর স্বপ্ন অনেকটা বাস্তবে রূপান্তরিত হয়েছে।হাজার হাজার ছাত্র যুব সমাজ হিন্দি গানের পরিবর্তে ইসলামী সংগীত শুনছেন।

তিনি ছিলেন মানবতাবাদী,বাস্তববাদী স্পষ্টবাদী ও উম্মাহর দরদী এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।তার সুরের মূর্ছনায় যুব সমাজের প্রাণ অানন্দে নেচে উঠতে।তার প্রতিবাদী সংগীত শুনে তাগুতের মসনদ ভাঙ্গতে শির উচু করতো যুব সমাজ।তার রচিত সংগীতে ছিল দর্শন ও সাহিত্যের রস।প্রতিটি শব্দ,প্রতিটি ছন্দে ছিল বিপ্লবের চিহৃ।একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে তিনি গান গেয়েছেন।তিনি তার সর্বশেষ সংগীতে বলেছেন-- 
গান গেয়ে  গেয়ে কুড়াতে চাইনি যশখ্যাতি
জানাতে চেয়েছি কৃতজ্ঞা তোমার প্রতি।
তাঁর পূর্বে বাংলাদেশে এভাবে ইসলামী সংগীতের প্রচলন ছিলনা।তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে বেজে উঠে ইসলামী সংগীত।যত দিন ইসলামী সংগীত চলবে ততদিন স্মরণীয় থাকবে মাওলানা আইনুদ্দীন রহ এর নাম।তিনি ছিলেন প্রজ্ঞাবান সংগীত তারাকা,বিপ্লবী সংগীত সম্রাট, মহান কিংবদন্তী। 

লেখকঃনুর আহমেদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages