করোনা থেকে সুস্থ হলেন ভৈরবের সেই এসিল্যান্ড - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Tuesday, May 5, 2020

করোনা থেকে সুস্থ হলেন ভৈরবের সেই এসিল্যান্ড

নাঈম মিয়া ভৈরব, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   

করোনা ভাইরাস  থেকে সুস্থ  হলেন ভৈরবের অ্যাসিল্যান্ড হিমাদ্রি খিসা।অ্যাসিল্যান্ড হিমাদ্রি খিসার বাড়ি রাঙ্গামাটি সদর এলাকায়।  গত ২৬ এপ্রিল ও ১ মে দুবার তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। দুটি রিপোর্টই এবার নেগেটিভ আসে। ৪ মে সোমবার শেষ রিপোর্টে তার করোনার নেগেটিভ এলে তাকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনামুক্ত ছাড়পত্র দেয়া হয়।
তিনি ভৈরবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত ১৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন। তার পর থেকে তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।

জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে অ্যাসিল্যান্ড হিমাদ্রি খিসা গত ১৬ এপ্রিল অসুস্থ হন। একই দিন তার নমুনা পরীক্ষা করতে ঢাকায় পাঠানো হয়। পর দিন তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এ বিষয়ে হিমাদ্রি খিসা জানান, ভৈরববাসীর কাজ করতে গিয়েই আমি করোনায় আক্রান্ত হই। তবে আমি চিন্তিত হয়নি। কারণ আমার শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। প্রথমে করোনায় আক্রান্তের খবরে কিছুটা ভয় পেলেও মনোবল শক্ত ছিল আমার।

পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযারী বাসায় থেকে ওষুধ সেবন করেছি এবং সব নিয়ম-কানুন মেনে চলেছি।

তিনি বলেন, আমি কাজের মানুষ হয়েও ২০ দিন হোম    কোয়ারেন্টিনে ছিলাম। বই পড়ে টিভি চ্যানেল দেখে  সময়টা পার করেছি। আশা করছি মঙ্গলবার থেকে আবার কাজে ফিরব। করোনায় আক্রান্তদের মনোবল শক্ত রেখে নিয়মিত ওষুধ সেবনসহ নিয়ম- কানুন মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।



কাজের কারণে তিনি ইতোমধ্যই ভৈরব উপজেলার বাসীর কাছে জনপ্রিয় কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ জানান, সোমবার হিমাদ্রি খিসার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তার আক্রান্তের কারণে প্রশাসনের গতি কিছুটা কমে গিয়েছিল।

কারণ করোনার সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এককভাবে সব প্রশাসনিক কাজ করতে গিয়ে বিড়ম্বনার কবলে পড়েছেন। এতে আমারও কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা জানান, কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ উপজেলার মধ্য প্রশাসনে ম্যাজিস্টেট হিসেবে আক্রান্ত হয় একমাত্র হিমাদ্রি খিসা। এতে আমিসহ জেলা প্রশাসক নিজেও আতঙ্কিত ছিলাম। ভৈরবের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরীতে করোনার সময়ে অনেক কাজ করতে হয়। প্রশাসনে আমরা দুজনই কাজ করি।

এ সময়ে হিমাদ্রি করোনায় আক্রান্তে আমার কাজ ও কষ্ট বেড়ে যায়। দিনরাত কাজ করেছি। আজ তার করোনামুক্তের খবরে আমি ও স্বস্তি ফিরে পেলাম।

No comments:

Post a Comment

Pages