শেখ ফজলুল করিম মারুফ একজন আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তক ||মতামত ||নুর আহমেদ সিদ্দিকী ||আমার খবর - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Sunday, May 17, 2020

শেখ ফজলুল করিম মারুফ একজন আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তক ||মতামত ||নুর আহমেদ সিদ্দিকী ||আমার খবর

বর্তমান অাধুনিক যুগে এসে খুব কম মানুষই সৎ ও নীতিবান রাজনীতিক হয়।বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্যতম হল চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালোবাজারিসহ নানা অপকর্ম।ঠিক সেই মুহুর্তেও নীতির প্রশ্নে অটল থেকে ইসলাম,দেশ ও মানবতার পক্ষে রাজনীতি করে যাওয়া খুব সহজ নয়।বাংলাদেশে খুব নগন্য নেতা আছে যারা দেশ ও জনগনের কথা ভাবেন।তাঁর মধ্যে অন্যতম হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই। নীতি আদর্শের প্রশ্নে তিনি চুল পরিমাণও ছাড় দিতে রাজি নন।নিজেদের অাদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে কোন জোট মহাজোটের হয়ে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেনি। সুযোগ থাকা স্বত্ত্বেও ক্ষমতার মোহে অাদর্শ বিসর্জন না দেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়।রাজনীতির অঙ্গনে এসে ক্ষমতার মোহে অনেক বড় বড় অালেমরাও নীতি আদর্শ ধরে রাখতে পারেনি।
ইসলামী আন্দোলনের ছাত্র সংগঠন ইশা ছাত্র আন্দোলন কিছু মেধাবি নেতা ও রাষ্ট্রচিন্তক তৈরি করছে।তার মধ্যে অন্যতম হলো ইশা ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ ফজলুল করিম মারুফ।তাঁর চিন্তা, চেতনা,বোধ বিশ্বাস ও উদারতা অন্য দশ জন নেতার চেয়ে অালাদা।ইমলামী আন্দোলন বাংলাদেশ  এর
রাষ্ট্রদর্শন ও রাষ্ট্রনীতি তার বক্তব্য ও লেখনির মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে।চিন্তার প্রসারতা, উদার মানসিকতা তার রাজনীতিক বৈশিষ্ট্য। 
দলান্ধতা, ব্যক্তিপূজা তার রাজনৈতিক জীবনে বিন্দুমাত্র পাওয়া যায়না। ইসলামী ছাত্র সংগঠন গুলো কে নিয়ে কাজ করার মত এমন মানসিকতা এর আগে কেউ দেখাতে পারেনি।বন্ধুপ্রতীম ইসলামী ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি  বস্তুবাদী  ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক্য গঠনের প্রায়াস চালিয়েছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চায় Welfare state বা কল্যাণকর রাষ্ট্র।তাই দলটির লক্ষ্য নিছক ক্ষমতা নয় বরং কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করাই তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা। বস্তুবাদী রাজনৈতিক দলের কথা হলো তারা Rule of Law বা আইনের শাসন প্রতিষ্টা করতে চায়।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যে কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনের কথা বলে শেখ ফজলুল করিম মারুফ এর রাষ্ট্রচিন্তার সাথে মিলে যায়।তাঁর দর্শনচিন্তা প্রশংসার দাবি রাখে।কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্যে কিছু সমাস্যা দূর করতে হবে।

১)রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব এবং সহিংসতা( Lack of Political Stability and Violence)
২)জবাবদিহিতার অভাব (   Lack of Accountability)
৩)দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা(Failure to Control Corruption) 
৪)রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অভাব(Lack Of political Commitment) 
৫)স্বজনপ্রীতি (Napotism)
৬) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকা( Absence of Independent Judiciary)
উপরোক্ত ছয়টি পয়েন্ট কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে বাধা।আমি শেখ ফজলুল করিম এর রাষ্ট্রচিন্তা ও দর্শন পর্যালোচনা করে এই ছয়টি পয়েন্ট বা সমাস্যা থেকে উত্তরণের পথ ও পদ্ধতি জেনেছি।

শেখ ফজলুল করিম একজন তরুণ রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। যার দর্শন একটি কল্যাণ রাষ্ট্র Welfare Sate গঠনের কথা রয়েছে  ।গভীর অধ্যায়ন, গভীর পর্যালোচনার মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক কাজ পরিচালনা করেন।তিনি ইশা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি থাকাকালীন নেতৃত্বে নতুনত্ব নিয়ে আসেন।তাঁর নেতৃত্বে দলীয় কর্মকান্ডে সৃজনশীলতা ফুটে উঠেছে।একজন রাজনীতিকের যেসব গুণ থাকা প্রয়োজন তা হলো--
২) ব্যক্তিত্ব
২) বুদ্ধিমত্তা
৩) মানসিক ও দৈহিক সুস্থতা
৪) অভিজ্ঞতা
৫) শিক্ষা
৬) দূরদৃষ্টি
৭) চারিত্রিক কঠোরতা ও  কোমলতা
৮)বাগ্মিতা ও উত্তম শ্রুোতা
৯)নিরপেক্ষতা
১০)ন্যায়নীতিপরায়ণ
১১) উদারতা
১২) দায়িত্ববোধ
১৩) কথা ও কাজের মিল
১৪) আত্মসংযম
১৫) স্বার্থহীনতা
১৬) পরমতসহিষ্ণুতা
১৭)সত্যের পূজােরি
১৮) সততা
১৯) নিষ্ঠাবান
২০) সৎ সাহস
২১) ভুল সংশোধনের মানসিকতা
২২) ত্যাগের মানসিকতা
২৩) সৃজনশীলতা
২৪) অধ্যবাসায়
২৫) তাৎক্ষণিক সিন্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা

উপরোক্ত গুণাবলি যা  একজন সফল নেতার মধ্যে থাকতে হয়।আমি বিশ্বাস করি শেখ ফজলুল করিম মারুফের মাঝে উক্ত গুণাবলি রয়েছে।নিঃসন্দেহে বলা যায়, তিনি একজন সফল নেতা ও অাধুনিক রাষ্ট্রচিন্তক।

লেখকঃনুর আহমদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages