সমস্যাটা একা আমার নয় সমস্যাটা সবার || আরমান পাটওয়ারী ||আমার খবর - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Sunday, May 17, 2020

সমস্যাটা একা আমার নয় সমস্যাটা সবার || আরমান পাটওয়ারী ||আমার খবর

করোনার কারণে লকডাউন দিয়ে মানুষকে ঘরে আটকানো হচ্ছে। মানুষের সুবিধার্থে সরকার ত্রাণ ও দিচ্ছে সে ত্রাণ সরকারদলীয় লোক পাচ্ছে। আবার কিছু সাধারন পাবলিক ও তা পাচ্ছে।

কিন্তু তার মধ্যে একটা কথা হচ্ছে মধ্যবিত্তরা লজ্জায় কারো কাছে কিছু চাইতে ও পারে না,
কিছু বলতে ও পারে না।
তারা মধ্যবিত্ত।
সরকারি চাপের কারণে প্রশাসনিক লোকেরা সাধারণ ব্যবসায়ীদেরকে লকডাউন এর আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে। শুধু কি ব্যবসায়ীদের কে হোম কোয়ারেন্টাইন রাখলেই সব সমস্যা সমাধান হবে?


আরমান হোসেন

যখন উপজেলা ব্যাপী বিভিন্ন ক্ষেত্রে ত্রাণ দেওয়া হয় সেখানে দেখা যায় হাজারো লোকের সমাগম।
সেখানে কি করোনা ছড়ানোর কোনো ঝুঁকি নেই?
যখন উপজেলা প্রশাসন গরীব দুঃখী মানুষের ধান কাটার জন্য নেমে পড়ে সেই চিত্র আমাদের চোখে অনেক পড়েছে, সেখানেও অনেক লোকের সংস্পর্শ দেখা যাচ্ছে।

সেখানে কি করোনা ছড়াবে না?
সাংবাদিকরা এসে রিপোর্ট করে,
শেষ বেলায় দেখা যায় তারাও এলাকায় চায়ের দোকানে সবাই মিলে বসে একসাথে চা খায়! ওইখানে কি করোনার ভয় নাই। টপ টেন কোম্পানির লোকেরা গলায় কাড ঝুলিয়ে তারা মার্কেটিং এ কাজ করে। তাদের কি করুনার কোনো ঝুঁকি নেই?
যারা যাত্রীবাহী গাড়ির ড্রাইভার তারা কি অবস্থায় আছে এই কথাগুলো কি ভেবেছেন? কিন্তু দেখা যাচ্ছে যারা দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে তারা কিন্তু তাদের পার্সোনাল গাড়ি নিয়ে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত সব জায়গায় যাচ্ছে তাদেরও সব ঠিকঠাক চলছে।
তাদের কি কোন ভয় নাই?

সাংবাদিক সাংবাদিকতা করে কারণ তাঁদের পেশা এটা।
সেটার উপর নির্ভর করে তাদের পরিবার চলে।
প্রশাসনের লোকেরা চাকরি করে,
চাকরি টাকা দিয়ে তাদের সংসার চালায় তাদের ও সব ঠিক আছে।

সরকারি কর্মচারীদের মাস শেষে বেতন টা তাদের নিজ একাউন্টে ঢুকে যায় তারাও ঠিক আছে বেতন ঠিকমত পাচ্ছে।

আবার কিছু মানবতার সেবক দেখা যায় সবাইকে ঘরে থাকার জন্য বলে। কিন্তু সে নিজে বাইরে ঘুরে, সেগুলো আমাদের চোখে চিত্রসহ ভেসে উঠে।

দিনশেষে তারও ফেসবুকে পোস্ট করে ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন! যারা মোটামুটি ভাবে ব্যবসা করে কিছু টাকা উপার্জন করে তার ফ্যামিলির খরচ বহন করেন। তাদের কি অবস্থা? না পারে কারো কাছে কিছু বলতে না পারে কিছু সইতে।

সবার দিক থেকে সবাই ভালো আছে,
সবাই সবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দুমছে‌ শুধু সাধারণ ব্যবসায়ীরা মাটি কামড়ে খাচ্ছে কারণ তাদের মাটি কামড়ানো ছাড়া আর কোন গতি নেই।

লকডাউন সাধারণ মানুষের কতটুকু উপকার হবে তা আমার জানা নেই।
ইদানিং খবরের কাগজ হাতে নিলে দেখা যাচ্ছে।

সংসারে অশান্তি কারণে স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ।
স্বামী মারা যাচ্ছে নয়তো স্ত্রী মারা যাচ্ছে অভাবের কারনে । করোনা হয়ে যত মানুষ মারা যাবে তার চেয়েও বেশি মারা যাবে আরো কয়টা দিন লকডাউন থাকলে। কিছু জারয সন্তান আছে যারা করোনার কথা মানুষের সামনে এমন ভাবে উপস্থাপন করে। মনে হয় যে করোণায় আক্রান্ত হলে তার বাঁচার কোন গতি নেই। সাধারণ মানুষদের আশ্বাস দিন করোনা যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের মধ্যে কয়জন মারা যাচ্ছে একটু ভালো করে খেয়াল করুন।

যাদের শরীরে একাধিক রোগ থাকে তারা আক্রান্ত হলে একটু ঝুঁকিতে থাকে, তাও অত বেশি না চিকিৎসা নিলে ৯০% লোক সুস্থ হয়। যেমন ধরুন যাদের ডায়াবেটিস অনেক বেশি, বা কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা তাদের জন্য একটু সমস্যা বেশি। আর যারা সুস্থ সবল তারা আক্রান্ত হলে নিয়মমাফিক হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়। আর এটাকে আমরা এমন ভাবে আমাদের মাথায় সেটিং করে নিয়েছি যে মনে হয় করোনা মানে জীবন শেষ!

আপনার চিন্তাধারা পরিবর্তন করুন।
সবাই সবার ষোল আনা হিসাব টা বুঝিয়ে নিচ্ছে। সর্বশেষ আমরা সাধারন ব্যক্তিদের জন্য শুধু লাভ ডাউনলোড প্রযোজ্য!

বাকিরা তো করোনার ভয় দেখিয়ে মানুষকে ঘরবন্দি করে তাদের সফলতা অর্জন করে নিচ্ছে।

মোঃ আরমান হোসেন ব্যবসায়ী।

No comments:

Post a Comment

Pages