রামগঞ্জে অসহায়ের বসতঘর জোরপূর্বক দখল করে বহুতল বভন নির্মান ||amarkhobor24 - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Wednesday, April 29, 2020

রামগঞ্জে অসহায়ের বসতঘর জোরপূর্বক দখল করে বহুতল বভন নির্মান ||amarkhobor24

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউপির দক্ষিন দরবেশপুর গ্রামের রহম আলী শেখের বাড়ির মানসিক প্রতিবন্ধী আবুল কাশেম ও তার স্ত্রী নুরজাহান বেগমের বসতঘর জোরপূর্বক দখল করে বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে একই বাড়ির বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের দেবর আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরজাহান বেগমের স্বামী ও এক সন্তান মানসিক প্রতিবন্ধী  হওয়ায় এবং  তাদের পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আবুল খায়ের অর্থের বিনিময়ে প্রভাব খাটিয়ে নুরজাহান ও তার স্বামীর বসতঘরের টিনের চাল ও বেড়া কেটে বহুতল ভবন নির্মান করেছে। এব্যাপারে কয়েকবার সালিসি বৈঠক হলেও ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগম সঠিক বিচার পায়নি।   

আরো জানা যায়, আবুল খায়েরের এক ছেলে গ্রিসে থাকায় অর্থের প্রভাবে তার নিকট বাড়ি এবং এলাকার লোক জিম্মি। কেউ ভয়ে তার অপরাধের প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। সমিতির বাজার তসিল অফিসে চাকরীর সুবাধে প্রভাব খাটিয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে চাঁদা তোলারও অভিযোগ আছে আবুল খায়ের বিরুদ্ধে। 

ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের সাথে কথা বললে তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, আমার স্বামী এবং সন্তান মানসিক প্রতিবন্ধি। আমি অনেক অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমার দেবর সাড়ে সাত সতাংশ জায়গার বেশিরভাগ দখল করলে সরকারি আমিন দিয়ে জায়গা মাপার পর আমরা তার দখলকৃত জায়গার ভিতর দুহাতের বেশি জায়গা পাওয়ার পরও সে উল্টো অর্থের বিনিময়ে প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে আমার স্বামীর বসতঘরের টিনের চাল এবং বেড়া কেটে ভহুতল ভবন নির্মান করে। আমরা তাকে বাধা দিলে সে আমাকে এবং আমার পরিবারকে মারধর করে। আমি বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালেও আমি অসহায় এবং আমার টাকা না থাকায় কোন সঠিক বিচার পায়নি। 

এব্যাপারে ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের দেবর আবুল খায়েরের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আপনাদেরকে কে আসতে বলেছে, বিষয়টি চেয়ারম্যান সাহেব অনেক আগেই সমাধান করে দিয়েছেন। এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাসহ সাংবাদিকদের উপর হামলারও চেষ্টা চালান। 

একই বাড়ির বাসিন্দা ও সমিতি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন জানান, আমরা সালিশী বৈঠকের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমকে ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিপুরন দেওয়ার সিন্ধান্তে আসলে তারা উভয়পক্ষ তা মানেননি। 

এব্যাপারে দরবেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, আপনারা আমাকে না জানিয়ে ওই বাড়িতে কেন গিয়েছেন। বিষয়টি এক বছর আগেই সমাধান হয়ে গিয়েছে।  

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে না থাকায় কিছু বলতে পারছিনা।

No comments:

Post a Comment

Pages