মাজলুম দলের নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ||amarkhobor24 - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Thursday, April 2, 2020

মাজলুম দলের নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ||amarkhobor24

আমার বলতে দ্বিধা নেই যে,আমি আজ তাদের দলের একজন যারা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী।যারা মানব জাতির কল্যাণ সাধন করে সেবা দিয়ে,কর্ম দিয়ে,তারা যদি মহৎ না হন তাহলে জগৎ সংসারে মহৎ শব্দটি প্রয়োগ করার মত স্থান থাকেনা।কবি কাজী নজরুল বলেছেন,আমি কবি - বনের পাখির মত গান করে যাওয়াই আমার স্বভাব।কারো ভালো লাগিলেও গাই,ভালো না লাগিলেও গেয়ে যাই।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার আপন গতিতে চলছে।প্রতিষ্টার ৩২ বছর হলেও ক্ষমতার মোহে নিজেদের আদর্শকে বিসর্জন দেয়নি।সুচতুর ও সুদক্ষ আমিরের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে সফলতার লক্ষ্যপানে। রবীন্দ্রনাথের একটি গানের কথা মনে পড়ে গেল।তোর ডাক শুনে যদি কেউ না আসে তবে একলা চলোরে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই একলায় চলছে।

ঐক্যের মাপকাটি কি হবে? কিসের ভিত্তিতে ঐক্য হবে তার নীতি নির্ধারণ করতে পারলেই ফলপ্রসূ ঐক্য গড়তে সংশয়ী হবে না দলটি।যাদের পক্ষ থেকে ঐক্যের স্লোগান উঠে,যারা মঞ্চে উঠে  ঐক্যের নামে গলাবাজি করেন অনেক ক্ষেত্রে তারাই ঐক্যের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাটি হাটি পা পা করে ৩২ বছর অতিক্রম করেছে।এই বত্রিশ বছরে ত্যাগের কমতি ছিলনা।ঝরেছে রক্ত,রাত কাটাতে হয়েছে জালিমের কারাগারে।পিতা হারিয়েছে তার সন্তান।খালি হয়েছে মায়ের কোল।সংগঠন হারিয়েছে ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী।তাদের ত্যাগের বিনিময়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সফলতার পথে হাটছে ধীরে ধীরে।আজ না হয় কাল, কাল না হয় পরশু গুনেধরা এই জাহেলি সমাজের পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে একলা চলো নীতিতে চলছে দলটি।

আমি মাঝে মাঝে অভিভূত হয়ে যায় কিভাবে এত প্রোগ্রামের আয়োজন করে?  কিভাবে সফল হয়? প্রত্যেক প্রোগ্রামে জনতার উপচে পড়া ভীড় মিডিয়াকেও ভাবিয়ে তুলে।ভারতের তোষামোদকারী একচোখা ও পক্ষাপাতি মিডিয়া না পারছে সইতে,না পারছে প্রচার করতে। তারা বলতে গেলে উভয় সংকটে।দলটি মিডিয়ার দ্বারা যতটা না প্রচারিত এর চেয়ে বেশি প্রচার প্রসার লাভ করছে হিংসুক ও নিন্দুকের নিন্দার মাধ্যমে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর বিরুদ্ধে সারাক্ষণ লেগে থাকতে এক দল গবেষক কাজ করছে। তাদের চিন্তা চেতনা ও গবেষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে ঠেকানোর নতুন নতুন কৌশল অাবিস্কার। তারা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর বিরোধিতা না করলে যেন পেটের ভাত হজম হয়না।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উন্নতিতে তারা টেনশনে মরে।দিন দিন শরীরের অবনতি দেখে হারবাল খেয়েও স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারছে না।তাদের শরীর শুকিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন দিন দিন উন্নতি করছে সে চিন্তায়।এখন তাদের ভারতীয় হারবালেও শরীরের অবনতি ঠেকাতে পারেনি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভালো কাজ করলেও তাতে তারা ইনিয়ে বিনিয়ে ক্ষত বের করবেই।দলের আমির মোদির আগমন ঠেকাতে আন্দোলন নামলেও তাতেও একদল বলে বেড়ায় তাদের আওয়ামী লীগ সরকার নামাইছে।ভালো কাজের প্রশংসার করার মত কলিজা আল্লাহ তাদের দান করেনি।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলে তাতে একদল হিংসুকের গা জ্বলা আরম্ভ হয়।দল বল নিয়ে অফলাইন আর অনলাইনে অপ্রচারে জিহাদের জজবা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে।সব কথার এক কথা চরমোনাই ঠেকাও।প্রথমে তারা আওয়ামী লীগ সরকার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে নির্বাচন করার জন্যে ৬০ কোটি টাকা দিয়েছে বলে অপপ্রচার চালায় জোরালোভাবে। কিন্তু তাতে হালে পানি পায়নি দেখে ফের প্রচার করতে থাকে সরকার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে ৯০ কোটি টাকা দিয়েছে।সাথে সাথে জোরালোভাবে প্রচার করতে থাকে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি জামায়াতের ভোট কাটতে হাতপাখা কে তিনশ আসনে নির্বাচনে মাটে নামিয়েছে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে বেশ কিছু আসন দেওয়ার মত অপপ্রচারও চালান তারা।কিন্তু নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটিও আসন না পাওয়ায় তাদের অপপ্রচার জাতি বুঝতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি ক্ষমতা চায়তো তাহলে ২০১৪ সালে প্রধান বিরোধী দল হয়ে সংসদে যেতে পারত।সেই সুযোগ ও অফার ছিল।নিজেদের অাদর্শ জলাঞ্জলি দিতে রাজী হয়নি দলটি।সমঝোতার মাধ্যমেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বেশ কিছু আসন পেদ দলটি।কিন্তু তারা সে সবের তোয়াক্কা করেনা।দলটির নেতারা বক্তব্য দিলে তাতেও বডি ল্যাঙ্গুয়েজের প্রশ্ন তুলে ঐ সব হিংসুকরা।হিংসকুদের পক্ষ থেকে মহিউদ্দীন কাসেমী নামের এক উদ্ভট মাওলানা কে শয়তান খেলাফত দিয়েছে।২৪ ঘন্টা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করে।নায়েবে আমির বক্তব্য আস্তে দিল না,জোরে দিল,বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ঠিক না বেঠিক তা নিয়ে হরদম গবেষণা চালায়।করোনা ইস্যুতে দেশ ব্যাপি সাধ্যানুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও অঙ্গসংগঠন ইসলামী যুব আন্দোলন। তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন করেছে এসব নাকি লোক দেখানো।মানুষের যেখানে বাঁচা মরার প্রশ্ন সেখানে তারা প্রশ্ন করে কাজটি কি রাজনৈতিক নাকি মানবতার স্বার্থে।রোহিঙ্গাদের প্রায় তিন বছর ধরে ত্রাণ দিয়ে আসছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।সেখানেও তাদের প্রশ্ন নায়েবে আমির শায়েখে চরমোনাই কেন নারীদের ত্রাণ দিল? যত দোষ নন্দ গোষ সব চরমোনাই পন্থীদের দোষ।

এদের বিরোধিতা সমালোচনার পর্যায়ে পড়ে না।এদের ব্যবহারিত ভাষা গুলো নিষিদ্ধ পল্লীর পতিতাদের ন্যায়।হাটতে বসতে শুধু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরোধিতা ছাড়া অন্য কোন কাজ নেই।আমি মাঝে মাঝে তাকে বেকার কাসেমী বলেও অভিহিত করি।তার নিজস্ব কোন আদর্শ নেই।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা কর্মীরা নিজেদের কাজ করে যাবে।ঐ সব মরীচিকার পেছনে সময় নষ্ট করার মত সময় তাদের নেই।এরা কূপমন্ডুক ও অকালকুষ্মান্ড। এদের অাপদমস্তক হিংসায় ভরা।এরা  আজন্ম হিংসুক। হিংসা,নিন্দা,বিদ্বেষ ছড়ানোয় হলো তাদের অন্যতম কাজ।তাদের পীর সাহেবের নাম ইবলিস।ইবলিস এখন পৃথিবীতে থাকেনা।এদের খেলাফত দেওয়ার আগে পৃথিবীতে থাকত।ইবলিস এখন সমুদ্রের মাঝে রাজসিংহাসনে বসে থাকে তার খলিফাগন দেশব্যাপি চষিয়া বেড়াচ্ছে।হে আল্লাহ  এই সব শয়তানের খলিফা থেকে হেফাজত করুন।একটা কথা মনে রাখবেন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামটি অারশ আজীমের মালিকের কাছে পছন্দ হয়ে গেছে।আল্লাহ চাহে তো কোন হিংসুক দলটির চুল পরিমাণ ক্ষতি করতে পারবেনা ইনশাঅাল্লাহ।

লেখকঃনুর আহমদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages