গোলাম মাওলা রনি সুবিধাবাদী নীতিভ্রষ্ট রাজনীতিক - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Tuesday, March 31, 2020

গোলাম মাওলা রনি সুবিধাবাদী নীতিভ্রষ্ট রাজনীতিক

সাম্প্রতিক গোলামা মাওলা রনি ঢালাওভাবে আলেম ওলামাদের 'কাটমোল্লা "বলে কটুক্তি করেছেন।আমি এর তীব্রনিন্দা জানাচ্ছি।তিনি একজন সুবিবাধী ও নীতিভ্রষ্ট রাজনীতিক।তবে তিনি জামায়াতের কাছে বড় অাল্লামা।দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগে ছিলেন।আওয়ামী লীগের নৌকার টিকেটে হয়েছিলেন এমপিও।গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকার টিকেট না পেয়ে ক্ষোভে দুঃখে আওয়ামী লীগে ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন।এমপির নমিনেশন না পেয়ে যে রাজনীতিক দীর্ঘ রাজনৈতিক ফ্ল্যাটফরম ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেন তাকে রীতিমত নীতি ভ্রষ্ট সুবিধাভোগী রাজনীতিক বলতে হয়।করোনা ইস্যুতে আলেম ওলামা কেন মসজিদ বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছে না সেই ক্ষোভে তিনি ঢালাওভাবে আলেমদের কাটমোল্লা বলে কটুক্তি করেছেন।
শেখ মুজিবুর রহমান এর লিখিত "কারাগারের রোজনামচা " নামক বইটি পড়ে হাসি কান্না দুঃখ বেদনা সব অনুভব করেছি।শুরুর দিকে কিছু কারাগারের দফা নিয়ে অালোচনা খুব হাসি পায়।শীতকালে দুপুরে গোসল করে শেখ মুজিবুর রহমান বাইরে রোদ পোহাচ্ছিলেন।ঠিক সেই মুহুর্তে মানসিক ভারসাম্যহীন এক পাগল তাঁর পাশে এসে রোদ পোহাচ্ছিল।ঐ পাগল অন্যান্য পাগলদের দিকে নির্দেশ করে বলল,দেখেন ওরা সব পাগল।বঙ্গবন্ধু তখন নিজের হাসি ধরে রাখতে পারেনি।পাগলের কথা শুনে তিনি হাসলেন।
ভারাক্রান্ত হৃদয় কিছুটা হলেও হালকা হয় তাঁর।প্রকৃতপক্ষে যারা পাগল তারা অন্যদের পাগল বলে।আমি মনে করি গোলাম মাওলা রনি নিজে কাটমোল্লা তাই অন্যদের কাটমোল্লা বলে কটুক্তি করে।আরেকটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরো পরিস্কার হবে।একদা শেষ রাতে এক বুজুর্গ এবং এক চোর একই পুকুরে ভিন্ন ভিন্ন ঘাটে গোসল  করতে যায়।ঐ চোর চুরি করে এসে গোসল করতে গেছে।বুজুর্গ লোকটি তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার জন্য গোসল করতে গেছে।দু'জনই গোসল করতে গেছে বটে কিন্তু উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। চোর ব্যক্তটি মনে করছে,আমি কি চোর, আমার চেয়ে বড় চোর আমাদের মহাল্লায় রয়েছে কিন্তু আমি জানিনা।পক্ষান্তরে বুজুর্গ লোকটি, নিজেকে ধিক্কার দিতে দিতে বলছে আমি নিজেকে বুজুর্গ মনে করি!!আহ্ আমার চেয়ে বড় বুজুর্গ তো এই মহাল্লায় রয়েছে।এতে করে দু'জনে মানসকিতার পরিচয় পাওয়া যায়।গোলাম মাওলা রনি নিজে চোর তাই অন্যদের চোর মনে করে।নিজে কাটমোল্লা তাই আলেমদেরও তাই ভাবে।

তিনি পীর সাহেব চরমোনাই কে ইঙ্গিত করে বলেন,একজন পীর স্বপ্ন দেখেছে নাকি থানকুনি পাতা খেয়ে দোয়া পড়লে করোনা চলে যাবে।তাই তার মুরিদরা দেশে থানকুনি পাতা রাখেনি।একজন নীতি ভ্রষ্ট ও সুবিধাভোগী রাজনীতিকের মুখ থেকে পীর সাহেব চরমোনাইর মত স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ কে বিষোদগার বেমানান। পীর সাহেব চরমোনাই যে থানকুনি পাতা খেতে বলেছে তার কোন প্রমাণ নেই। তিনি নিজেও গুজবে বিশ্বাস করেছেন।নিজেকে যদি পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক তিনি দাবি করে থাকেন তাহলে তাঁর দাবিতে তিনি স্ববিরোধী।পীর সাহেব চরমোনাই ক্ষমতার লোভে, এমপি মন্ত্রীর লোভে নিজের আদর্শকে জলাঞ্জলি দেয়নি।তাঁর মত নীতিভ্রষ্ট রাজনীতিক পীর সাহেব চরমোনাই কে মুর্খ বলে প্রচার করাটাও নিজের মুর্খতা জাহির করার সামিল।বাংলাদেশ রাজনৈতিক দল হিসেবে নীতি আদর্শে অটল ও অবিচল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।তিনি ভিডিও ক্লিপে আলেম সমাজ কে ঢালাওভাবে  কাটমোল্লা বলে কটুক্তি করে নিজে যে মুর্খ তার প্রমাণ দিলেন।এই গোলাম মাওলা রনি কৌশলে জামায়াতকে প্রমোট করে।অনতিবিলম্ব অালেম সমাজের কাছে কটুক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

লেখকঃনুর আহমদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages