মুজিব জন্মশতবার্ষিকীটা সাধারণ জনতার কল্যাণে নিবেদিত হউক ||মুহাম্মাদ রবিউল ইসলাম ||amarkhobor24.com - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Monday, March 9, 2020

মুজিব জন্মশতবার্ষিকীটা সাধারণ জনতার কল্যাণে নিবেদিত হউক ||মুহাম্মাদ রবিউল ইসলাম ||amarkhobor24.com

জনসচেতনায় সবসময় পাশে থাকবে সরকার!
এই শ্লোগানে কম-বেশি কান পেতে দিতে আমরা কার্পণ্যতা করিনি কারণ আমরাতো সরকারেরই প্রতিনিধি তাইনা?

ক্ষমতার চেয়ারে বসার আগেই অনেক মধুর মধুর বানী রাজনীতিবিদদের কণ্ঠে বসন্তের কোকিলা সুরে শুনতে পাই আমরা।কিন্তু সময়ের ব্যাবধান যতো বাড়তে থাকে ততোই রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় আসার পর বসন্তের কোকিলা সুর যেনো বিড়ালের ডাকে পরিণত হয়ে যায়।

এসব কথা আসলে অতীত থেকেই বলে আসছিল জ্ঞানীরা।আজও বলে যাচ্ছে তারা।ক্ষমতার চেয়ার দখল করার প্রধান আরো একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজের আত্বীয়স্বজনদের কাউকে না কাউকে উত্তরসূরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে যাওয়া যেনো বাকি জীবনটাতে আরাম আয়েশে কাটানো যায়।মনে হয় যেনো এটাই তাদের সংস্কৃতি। 

দেশে করোনা ভাইরাসের নাকি রোগীর সন্ধান মিলেছে।তাই অসাধুদের দৌড়াত্মের মনে হয় প্রতিযোগিতা বেড়ে গেলো।সামান্য পাঁচ-দশটাকার মাস্ক নিয়ে চড়া দামের ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই।এই মাস্ক নাকি ১০০-১৫০-২০০ তে গিয়েও ঠেকেছে!

দেশে রোগের বা মহামারীর আবির্ভাব হলে নাকি সরকার সাধারন জনতার মাঝে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সহজলভ্য করে দেয়।অথচ আমাদের দেশে সামান্য মাস্ক এর দাম নিয়ন্ত্রনে রাখার মতো ক্ষমতাটুকুও কি নাই ক্ষমতাসীনদের?

সারাদেশে ফ্রি মাস্ক বিতরন কি করতে পারেনি তারা?কিংবা দেশের এনজিও সংস্থাগুলো বা মানবাধিকার কর্মী সংস্থাগুলো?

কেনো পারবেনা তারা জানেন?
এতে হয়তো তাদের ব্যবসায় ধস নামতে পারে।এমনকি তাদের লক্ষ্য পুরন নাও হতে পারে।কেনো ব্যবসা বলতেছি জানেন?

সারাদেশের অনেক স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি কনডম বিতরনের কথা মনে আছে আপনাদের কারো?সেগুলো কারা করেছিলো?এবং কোন উদ্দেশ্যে?তাও আবার কোমলমতি শিশু-কিশোরদের মাঝে কেনো?তখন কিন্তু কনডম ব্যবসায়ীরা কনডমের দাম বাড়ায়নি।বরং কর্মী দিয়ে স্কুলে স্কুলে শিশুদের হাতে কনডম ধরিয়ে দিয়ে হাস্যজ্জল অবস্থায় ক্যামেরায় পোজ দিয়ে ছবি তুলিয়ে নিতে।সরকার কিন্তু সহযোগীতা করেছিলো তখন!

আজ দেশে করোনা ভাইরাস এর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে খুব মনক্ষুন্ন হয়ে কারন করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারের ক্ষমতার শক্তিশালী হাত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসতে না পারার কারণে।আমাদের সরকার যেনো শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসছে বলে।

করোনা ভাইরাস নয় শুধু বরং যেকোনো দুর্যোগের সময় আমাদের দেশের পন্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যায় হুহু করে আর কারন দেখানো হয় আমদানীর অভাবে।এবারও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয়না আমার।কারন এটা বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশের অসাধু ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেট বানিজ্য করে ক্ষমতাসীন সরকারের নেতা কর্মীদের ছত্রছায়ায়!

আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করবো,
দেশের এমনিই নাজুক অবস্থা,তারপরেও আবার শত শত কোটি টাকা দিয়ে উদযাপন হবে মুজিববর্ষ।কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় দাম বাড়ানোর বদলে সরকারের উচিৎ এই মুজিববর্ষে প্রকাশ্যে ঘোষনা দেয়া হউক যে,নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম আকস্মিকভাবে কমিয়ে বাবার জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরনীয় করে রাখার জন্যে।।।।

বাবার আত্মাকে শান্তি দিতে বাবার প্রিয় শান্তিকামী জনতার মুখে একটি দিনের জন্যে হলেও হাসি ফুটানোর চেষ্টাটা যদি ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে যায় তাতে মন্দ কি?তাই দেখুন না একটু ভেবেচিন্তে মুজিববার্ষিকীকে জনগনের জন্য শততম বার্ষিকী বানানো যায় কিনা?
সবসময়ইতো নেতা কর্মীরা আনন্দ উল্লাস করে এবার না হয় জনতারাই করুক!

No comments:

Post a Comment

Pages