মিরসরাইর শিকার জনার্দ্দনপুরে রাস্তা পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Tuesday, February 11, 2020

মিরসরাইর শিকার জনার্দ্দনপুরে রাস্তা পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন

মিরসরাই প্রতিনিধিঃ 
এমনি এক গ্রাম আমাদের ৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন অপরদিকে ৭নং কাটাছড়া ইউনিয়ন দুইপ্রান্ত মিলে  শিকার জনার্দ্দনপুর সীমান্তবর্তী গ্রাম। দুইদিক থেকেই সীমান্তের মানুষ সুবিধা বঞ্চিত। উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া এ জনপদের মানুষ অবহেলিত। এ গ্রামের মানুষ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা দেখে কাটিয়েছে দেশ স্বাধীনের পরে ৪৭টি বছর। দেশের জন্য যুদ্ধ করে এ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিষন্ন মনে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে নিজেদের অন্ধকার যুগের পরিনতি দেখে। এ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সড়কটি হাটু সমান কাদা দেখতে দেখতে ৪৭টি বছরে বহু প্রজন্ম কবরের মাটিতে মিশে গেছে । কতবার তারা ভোটের সভায়, রাজনীতির মঞ্চে এ রাস্তার উন্নয়নের দাবি তুলে আসছে। রাস্তাটি দুটি ইউনিয়নের শতশত মানুষের দুঃখের দৃশ্যমান আয়না। বর্তমান সময় যারা জনপ্রতিনিধি আছেন তাদের আন্তরিকতায় আস্থা রাখছেন এলাকার জনগন। যারা বেঁচে আছেন তারা মরার আগে রাস্তা দেখে যাবেন এ বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে আছেন । গতকাল সোমবার রাস্তার দুর্দশার কথা শুনে গ্রামবাসির টানে ছুটে যান মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন। স্যারকে পেয়ে আকাশের চাঁদ পাওয়ার মতো খুশিতে ভরে উঠে গ্রামের সহজ সরল মানুষের মন। বৃদ্ধরা সরল মনে বলেন, স্যার আমরা তো মরে যাবো, বেঁচে থাকতে রাস্তাটি দেখে যেতে চাই। আজ এই গ্রামের মানুষের ভগ্নহৃদয় আনন্দ- উৎসবে মগ্ন। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ মজুমদার কে কাছে পেয়ে খুশিতে মিরসরাইয়ের গ্রামীন ঐতিহ্যের সোপান দুটি শীতল পাটি উপহার দেন। এসময় ইউএনও গ্রামের বৃদ্ধ-যুবক ও তরুনদের মলিন চেহারা দেখে আশ্বাস দেন এবার রাস্তা হবে আপনাদের। ভরসা রাখতে বলেন সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডে। এ গ্রামের সহজ সরল মানুষ গুলো প্রতিশ্রুতির মিথ্যা আশ্বাসে বিশ্বাস করে ৪৭টি বছর বারবার ঠকেছে। এবার তারা ইউএনও স্যারের আশ্বাসে অন্তরে বিশ্বাসের মজবুত ভিত্তি গড়েছে। দেশ স্বাধীন করে তারা এখনো স্বাধীনতার মায়াজালে বন্দী, উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে পিছিয়ে পড়া জনপদে অন্ধকারে বসবাস করছে। এবার আলো আসবে গ্রামের মেঠো পথে। এবার মুক্তিযোদ্ধা সড়ক, শিকার জনাদ্দনপুর সার্কেল সড়ক হবে এ বিশ্বাস মুক্তিযোদ্ধা রফিউজ্জমা, মুক্তিযোদ্ধা অলি উল্লাহসহ অন্যদের। কারণ মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ মজুমদার মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে অনন্য অসাধারণ গুনের মানুষ। যারা কখনো রুহুল আমিন স্যারের সাথে একবার কথা বলেছেন, কাছ থেকে দেখেছেন বা অফিসে সাক্ষাত করেছেন তাদের কাছে তিনি বেশভূষামুক্ত , নিরহংকার অকৃত্রিম আপনজন। যার সময়ের প্রতিটি পদক্ষেপ কাটে মানবতার কল্যাণে। সকাল থেকে সন্ধা, অফিস কিংবা উম্মুক্ত পরিবেশে প্রতিটি কাজে উদারতা, মমতা ও বিচক্ষণতায় ঘেরা। জনসাধারণ কিংবা নানা শ্রেনীপেশার মানুষের প্রতি উদারতাপূর্ণ আত্নিক ভালোবাসায় ভরা। এমন এক গুনের মানুষ তিনি যার কাছে ভিড়তে পারেন সবাই। সময় সুযোগ পেলেই তিনি মেতে উঠেন বুদ্ধিদীপ্ত খোশগল্পে। অতি সহজেই যে কাউকেই আপন করে নিতে পারেন তিনি। রাজনীতিবিদ , সামাজিক ব্যক্তিত্ব, গণমানুষের মন জয়ের সকল গুণেই তিনি পূর্ণ গুণান্বিত।

No comments:

Post a Comment

Pages