বেগম জিয়ার কারাবাস ও বিএনপির ব্যর্থতা || নুর আহমেদ সিদ্দিকী ||amarkhobor24.com - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Saturday, February 8, 2020

বেগম জিয়ার কারাবাস ও বিএনপির ব্যর্থতা || নুর আহমেদ সিদ্দিকী ||amarkhobor24.com

সেদিন ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সাল।বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়।৭ ফেব্রুয়ারি রাতের কথা ছিল উল্লেখ করার মত।২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মাগরিবের পর থেকে রাজধানী রূপ নেয় ভূতুড়ে  শহরে।মাগরিবের পর থেকে কমতে থাকে জনতার অানাগোনা। নিরাপত্তার ছাদরে অাবৃত করা হয় রাজধানীকে।রাত বাড়ার সাথে সাথে ব্যস্থময় ঢাকায় নেমে আসে সুনসান নীরবতা।পরদিন খালেদা জিয়া রায় কে ঘিরে এমন ভূতুড়ে শহরে রূপ নেয় ঢাকা।

পর দিন সকাল হতে দেশব্যাপি টান টান উত্তেজনা বিরাজ করে।দেশব্যাপি আওয়ামী লীগ মিছিল করে খালেদা জিয়ার দুর্নীতির শাস্তি  চেয়ে আর বিএনপি মিছিল করে খালেদা জিয়ার নিঃশর্তে মামলা থেকে মুক্তি চেয়ে।বিএনপির স্লোগান ছিল " আমার নেত্রী আমার মা জেলে যেতে দেবনা আর আওয়ামী লীগের স্লোগান ছিল, চোরের নেত্রী, চোরের মা জেলে কেন যাবে না?।শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদন্ড হলো।বিএনপি কিছুই করতে পারেনি।

বিএনপির নেতারা বললেন,দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়ার জামিন হবে কিন্তু আজ দুই বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এখনো কারাগারে বেগম জিয়া।খালেদা জিয়া যখন প্রথম জেলে যায়,তখন বিএনপির সিনিয়র নেতারা বললেন,মুক্ত খালেদা জিয়ার চেয়ে বন্দি খালেদা জিয়া শতগুনে শক্তিশালী। কিন্তু দুই বছর কারাগারে ধুঁকছে কিছুই করতে পারেনি বিএনপি।আজ দুই বছর হলো তাই পল্টনে বিএনপি সমাবেশ করছে।হয়তো তিন বছর পর খালেদা জিয়ার মুক্তি উপলক্ষে সমাবেশ করবে।কারা দিবস পালন করবে মহা ধুমধাম করে।

আর তিন বছর বেঁচে থাকলে হয়তো খালেদা জিয়া পৃথিবীর মুখ দেখবে।অন্যথায় দেখার সম্ভাবনা ক্ষীণ।বিএনপি পাঁচ বছরে কোন উল্লেখযোগ্য আন্দোলন করতে পারেনি।বিএনপির উচিত ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া।কিন্তু জামায়াতের বাধার মুখে সেই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেনি বিএনপি।সেই নির্বাচনে যদি বিএনপি অংশ নিত তাহলে রাজনীতির মোড ঘুরে যেত।সংসদে এখনো আওয়ামী লীগ থাকত না আর জাতীয় পার্টিও বিরোধী দল হতনা।

প্রতি বছর ঈদের আগে বিএনপি নেতারা বলে আসছে,ঈদের পর কঠোর অান্দোলন কিন্তু বাস্তবতা ঘোড়ার ডিম।ঈদের পরে অান্দোলন কথাটি এখন ব্যঙ্গাত্মক হয়ে গেছে।লোকে মনে করে কেয়ামতের পূর্বে যে ঈদ হবে সে ঈদের কথা বলছে বিএনপি।স্থায়ী কমিটি  বৈঠক হয় কিন্তু কোন সিন্ধান্তে পৌছতে পারেনা।তৃণমূলের নেতা কর্মীরা চাই আন্দোলন করতে কিন্তু হাইকমান্ড কোন সঠিক সিন্ধান্তে পৌছতে পারেনা।বিএনপির মত এত বড় দল আজ সিন্ধান্তহীনতায়। রাজনৈতিক কৌশলে তারা আওয়ামী লীগের কাছে হেরে গেছে।তবুও বেগম জিয়ার প্রতি করুণা হয়।আওয়ামী লীগ সরকারের উচিত বেগম জিয়ার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া।

লেখকঃনুর আহমদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages