ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাহস আছে || amarkhobor24.com - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Sunday, February 2, 2020

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাহস আছে || amarkhobor24.com

গতকাল ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ অনুষ্টিত  হয়ে গেল নতুন প্রহসন।অনেকেই বলবেন কিসের প্রহসন? উত্তর হিসেবে সহজ বাংলায় বলতে হয় আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচনই প্রহসন।সুতরাং নতুন করে প্রহসন রচনার দরকার নেই।নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে।বর্তমান নির্বাচনে নৌকা পেলেই সে জয়ী হবেই।বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম ভোট কাস্ট পূর্বে কখনো হয়েছে কিনা জানা নেই।২৫% লোক ভোট দিয়েছে।কোন কোন ভোট কেন্দ্রে গড়ে ১০ টি করে ভোট পড়েছে।দুই/ চার ঘন্টার পার হলেও ভোট পড়েছে ৫/৬/১০ টি করে।ভেতরে ফাকা আর বাইরে ছিল কৃত্রিম লাইন।লাইনে দেখা গেছে ১৫/১৬ বছরের কিশোরদের।যমুনা টিভির একটি প্রতিবেদনে দেখলাম প্রায় ৪ শতাধিক নারী।অনেকের কাছ থেকে সাক্ষাতকার নিয়েছে সাংবাদিক।কিন্তু তাদের কারো কাছে ভোটের আইডি কার্ড ছিলনা।অাইডি কার্ডের কথা জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে বলেছে বাড়িতে রেখে এসেছে।অস্ত্রের ছবি তুলতে গিয়ে কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক হামলার শিকার হয়।রামদা দিয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা এলোপাতাড়ি কোপায়।
নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন ঢাকা উত্তরের প্রার্থী ভোট পেয়েছে ২৮ হাজার দুইশ  এবং দক্ষিণের প্রার্থী পেয়েছে ২৬ হাজার ৬ শত ২৫ ভোট।উত্তরের ১৫ নং ওয়ার্ড এবং দক্ষিণের ৬৭ নং ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থী জয়ী হয়েছে।ভোটের অাগে প্রচারণায় আওয়ামী লীগ বিএনপির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রচারণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রার্থী।অনেক কর্মীরা নিজের খেয়ে পরে বিরামহীন প্রচারণা করেছে হাতপাখা প্রার্থীর পক্ষে।শুধু তাই নয় কর্মীরা শ্রম, সময় দেওয়ার পরও নির্বাচনী ফান্ডে টাকা দিয়েছে।আওয়ামী লীগ বিএনপির কর্মীদের টাকা দিয়ে প্রচারণা আনতে হয়েছে।ইসলামী আন্দোলনের জানবাজ কর্মীরা টাকা,শ্রম আর সময় দিয়ে হাতপাখার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি করেছিল।নির্বাচন সুষ্টু হলে লক্ষাধিক ভোট পেত হাতপাখার  প্রার্থীরা।কিন্তু সেটা আর হয়ে উঠেনি নিলজ্জ সিইসি আর ক্ষমতাসীনদের দাপটে।

তবে একথা স্পষ্ট বলা যায় যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাহস আছে।গতকাল বাদ মাগরিব নির্বাচন কমিশনে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র। যুগ্নমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিক সাথে কথা বলতে তিনি ভোটে অনিয়মের লিখিত চিত্র তুলো ধরেন এবং সিইসির পদত্যাগ দাবি করেন।সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা শেষে সিইসির কার্যালয়ে যান।সিইসির  সাথে বৈঠককালে গাজী আতাউর রহমান সিইসিকে বলেন,আমরা আপনার পদত্যাগ চাই।আপনি স্বসম্মানে পদত্যাগ করুন।সিইসি বললেন সেটা কি লিখে এনেছেন? তখন গাজী আতাউর রহমান বললেন জ্বি লিখে এনেছি।তখন সিইসি বললেন আলহামদুলিল্লাহ।সিইসিে চোখে চোখে তাকিয়ে পদত্যাগের কথা বলা চাট্টিখানি কথা নয়।সৎ সাহস থাকলেই এ কথা বলা যায়।দুই প্রার্থীসহ গাজী আতাউর রহমান সিইসিকে যে সাহসী বার্তা দিলেন তার জন্যে ইসলামী আন্দোলনকে ধন্যবাদ দেওয়া যায়।দলের আমির  মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, নির্বাচনে খরচ হওয়া সব টাকা ফেরৎ চাওয়ার পাশাপাশি ফের নির্বাচন অনুষ্টানের দাবি করেন।তবে  অালোচনার বিষয় পাতানো নির্বাচনেও হাতপাখা লাঙ্গলকে পিছনে পেলে এগিয়েছে।যদিও তারা সংসদে গৃহপালিত বিরোধী দল।জাতীয় পার্টিকে ভবিষ্যতে জাদুঘরে পাওয়া যাবে।আজকের এই বাংলাদেশের অবস্থার জন্যে জাতীয় পার্টিই দায়ী।তারা যদি আওয়ামী লীগকে প্রমোট না করত তাহলে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় থাকতে পারতনা।ইসলামী আন্দোলনের কর্মকান্ড প্রশংসার দাবি রাখে।দলটির জন্য দোয়া ও শুভকামনা অন্তহীন।

লেখকঃনুর আহমদ সিদ্দিকী

No comments:

Post a Comment

Pages