২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনে হাতপাখা বনাম রাজনৈতিক ভাবনা ||amarkhobor24 - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Monday, February 17, 2020

২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনে হাতপাখা বনাম রাজনৈতিক ভাবনা ||amarkhobor24

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্টিত হবে বলে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।সদ্য সমাপ্ত ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনের কথা বিবেচনা করে আমরা আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীকে অগ্রীম অভিনন্দন জানিয়ে রাখতে পারি।ঢাকা দুই  সিটি নির্বাচনে মিডিয়া অনেকটা সঠিক সংবাদ পরিবেশন করেছে।যদিও তারা ইসলামপন্থীদের প্রতি চরম বৈষম্যনীতি অবলম্বন করেছে।ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনে নানা অনিয়মের মাঝেও ভোটের অংকে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার প্রার্থীরা।তা স্বৃৃথেও মিডিয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সফলতাকে প্রচার করেনি।সমকাল পত্রিকার রিপোর্টে দেখলাম হাতপাখা চার নাম্বারে।ভোটের অংকে আওয়ামী লীগ বিএনপির পরে হলেও মিডিয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নাম নিতে কেমন জানি অসস্থি বোধ করে মিডিয়া।যেন বাশুরের নাম মুখ না নেওয়ার মত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুদ্দীন মিলন পেয়েছিল  সাড়ে পাঁচ হাজার ভোট।তার পাঁচ গুণ (২৬৫২৫) ভোট পেয়েছে ইসলামী অান্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখার প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুর রহমান।নির্বাচনের  দুই দিন পর ইত্তেফাক পত্রিকার একটি রিপোর্ট ছিল" জাপার পাঁচ গুন ভোট পেয়েছে চরমোনাই পীরের হাতপাখা। সেই রিপোর্টে জাতীয় পার্টির সাইফুদ্দীন মিলনের সাক্ষাতকার ছিল অবাক করার মত।তিনি বলেছেন,নির্বাচনে আওয়ামী লীগ,বিএনপি ও জাতীয় পার্টি কারো অবস্থান ভালো নেই। একমাত্র অবস্থান ভালো আছে চরমোনাই পীরের পার্টির।উত্তর সিটি নির্বাচনে অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ ২৮ হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছে।এর আগেও সিটি নির্বাচন, ইউপি নির্বাচন এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ইসলামী অান্দোলন বাংলাদেশ।

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তাদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন দলের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জননেতা আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলামকে।২০১৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর পক্ষে প্রার্থী হয়েছিল ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি শ্রমিক নেতা জনাব ওয়ায়েজ হোসেন ভূঁইয়া।তখন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ছিলনা।সেই নির্বাচনেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জনাব ওয়ায়েজ হোসেন ভুৃ্ঁইয়া তৃতীয় হয়েছিল।জাতীয় পার্টির প্রভাবশালী প্রার্থী সোলাইমান শেট এর চেয়ে তিন গুন ভোট বেশি পেয়েছিল।একজন শ্রমিক নেতার কাছে  জাতীয় পার্টির প্রভাবশালী  প্রার্থী হেরে যায়। 

এবার সিটি নির্বাচনে হাতপাখার মেয়র প্রার্থী একজন প্রভাবশালী নেতা।তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী।সুষ্টু নির্বাচন যে হবে না তা সাধারণ মানুষের অন্তরে বিশ্বাস জমে গেছে।এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে গত সিটি নির্বাচন থেকে প্রচার প্রচারণা গতিময় হবে।গতবার দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হয়েছিল।কিন্তু এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে হওয়ার কারণে নেতা কর্মীদের মাঝে আলাদা উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করবে।বাড়বে ভোটের অংকও।চট্টগ্রাম মহানগর এখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিএনপির সাথে পাল্লা দেওয়ার মত শক্তি অর্জন করেছে।নির্বাচনে সুষ্টু হবে না তা জানা স্বর্থেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে মূলত তিনটি কারণে।
১) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর দাওয়াত আপমর জনতার কাছে পৌছানো
২) নেতা কর্মীদের সক্রিয় রাখতে
৩) ভোটরর মাঠে অবস্থান জানান দিতে
ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনের  মত না হলে চসিক নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফলাফলে চমক দেখাবে।আমরা অাশাবাদী চসিক নির্বাচন  সুষ্টু হোক সে জন্যে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।সাথে সাথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতি অনুরোধ,  নির্বাচনে যাতে সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে আসার মত পদ্ধতি অনুসরণ করে।

লেখকঃ নুর আহমদ সিদ্দিক

No comments:

Post a Comment

Pages