রাজনীতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ - amarkhobor24.com

শিরোনাম

Home Top Ad


Saturday, December 28, 2019

রাজনীতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

রাজনৈকিত অঙ্গনে অালোচিত নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।প্রতিহিংসার রাজনীতির চর্চা,ক্ষমতার মোহে জোট মহাজোটের সাথে নীতি নৈতিকতা আর আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ইসলামী দলগুলো যখন জোটে করে চলছে ঠিক সেই মুহুর্তেও আদর্শকে জলাজঞ্জলি দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।শত অপবাদ,অভিযোগ আর মিথ্যাচারে দলটিকে একঘরে করে রাখতে চেষ্টা হয়েছে এবং হচ্ছে।কখনো ভারতের দালাল, কখনো বা আওয়ামী লীগের আবার কখনো কখনো বিএনপির দালাল বলেও অপবাদ দিয়েছে ক্ষমতার মোহে আদর্শ বিসর্জন দেওয়া ইসলামী দল সমূহ।দলটি আওয়ামী লীগ,বিএনপি ও জাতীয় পার্টি কতৃক যতটা বাধা প্রাপ্ত হয়নি এর চেয়ে বেশি বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে ইসলামী দল সমূহের কারণে।তারা যেমন আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার মোহে এক জোট থেকে অন্যজোটে ক্ষমতার স্বাদ পেতে ঘুরছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও তাদের মত ঘুরছেনা কেন সেটাই মাথা ব্যথা।ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতার মোহে কোন জোট যায়নি বলে তাদের নারী নেতৃত্ব মেনে রাজনীতি করাটা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ।তাদের ভূমিকা লেজকাটা বুদ্ধিমান শিয়ালের ন্যায়।  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও তাদের ন্যায় জোট মহাজোটের সাথে থাকলে তাদের নিলজ্জ দালালি কিছুটা বৈধতা পাবে সেই ভাবনা থেকেই ইসলামী আন্দোলনের বিরুধিতা করছে।জোট মহাজোটে গিয়ে নিজেদের অস্থিত্ব যেমন বিলিন হতে চলছে ঠিক তেমনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন এখনো অস্থিত্ব নিয়ে টিকে আছে তা তাদের সহ্য হচ্ছে না।তাই বলে বেড়ায় হাতপাখা নিয়ে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের নৌকার বিজয় নিশ্চিত হয়।একেবারে প্রকাশ্যে বলেছে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ হাতপাখা কে তিনশ আসনে মাঠে নামিয়েছে।

গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০০ আসনে নির্বাচন করেছিল।সে সময় প্রথমে বলা হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচনের জন্য ৬৫ কোটি টাকা নিয়েছে।হিংসুকরা ভাবল ৩০০ আসনের জন্য ৬৫ কোটি টাকায় হবেনা বরং সংখ্যাটা বাড়ানো উচিত।তখন সংখ্যাটা বাড়িয়ে করল ৯০ কোটি টাকা।কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে পাল্টে গেছে হিংসুকদের হিসেবে নিকেষ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি শুধু ক্ষমতার মোহে রাজনীতি করত তাহলে ২০১৪ সালে প্রধান বিরোধী দল হয়ে সংসদে যেতে পারত।রাজনীতিতে এখন সর্বাধিক অালোচিত ইসলামী দল হলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে তাদের দলীয় কমিটি রয়েছে।সংগঠনটির সহযোগী সংগঠন ইশা ছাত্র আন্দোলন,ইসলামী যুব আন্দোলন,ইসলামী শ্রমিক  আন্দোলন তৃণমূলে কাজ করছে।অান্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাদের কাজ চলছে। বিশ্বের প্রায় ৬০-৬৫ দেশে তাদের সাংগঠনিক কাজ চলছে।কয়েকদিনে আগে মালেশিয়া মাহসা ইউনিভার্সিটিতে ভিপি নির্বাচিত হয়েছে ইশা ছাত্র আন্দোলনের সাকেক ঢাকা মহানগর পূর্বের স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ বশির ইবনে জাফর।নীতি আদর্শ বিসর্জন না দেওয়া দলটিকে কোণঠাসা করে রেখেছে ইসলামী দলের নেতা কর্মীরা।ইস্যু আর ননইস্যুতে  যুগ যুগ ধরে ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরোধিতা করে আসছে হিংসুকরা।হিংসুকের হিংসাকে পদদলিত করে আল্লাহর উপর ভরসা করে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে পীর সাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বাধীন ইসলামী  আন্দোলন বাংলাদেশ।

হিংসুকরা সর্বদা দলটির পেছনে লেগে আছে আটার মত।যখন বিএনপি জামায়াত কে সভা সমাবেশ করতে দিচ্ছে না ঠিক সেই মুহুর্তেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন সভা সমাবেশ করছে সেই হিংসায় মরছে তারা।হিংসা থেকে বলছে নিশ্চয়ই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দালাল।সভা সমাবেশ ও মাহফিল করতে দিলে যদি আওয়ামী লীগের দালাল হয় তাহলে জামায়াতের বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী সব চেয়ে বড় দালাল।বিভিন্ন স্থানে আজাহারীর মাহফিলে শত শত পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা দিচ্ছে।মঞ্চে আজহারীর পাশে বসে থাকে আওয়ামী লীগের এমপি মন্ত্রীরা।উল্টা আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রমোট করে আজহারী।তবুও তারা আওয়ামী লীগের দালাল নয়।কারণ তারা তো জামায়াত।তবে তাদের স্বরণ রাখা উচিত ১৯৯৬ সালে জামায়াত আওয়ামী লীগের সাথে ঘর বেঁধেছিল।কওমী অঙ্গনে যে সব ইসলামী দল আছে তাদের এতটা অধঃপতনের মূলে রয়েছে ক্ষমতার মোহ।জোট মহাজোটের নিলজ্জ দালালির কারণে তাদের অস্থিত্ব আজ বিলীনের পথে।আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে  সব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নির্বাচন করবে দলটি।ইতোমধ্যে দলের আমির তা ঘোষণাও দিয়েছেন।আগামী ৩০ জানুয়ারী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন অনুষ্টিত হবে।অংশ নিচ্ছেন ইসলামী আন্দোলনের দুই প্রার্থী।ঢাকা উত্তরে প্রিন্সিপ্যাল ফজলে বারী মাসুদ এবং দক্ষিণে শিল্পপতি অালহাজ্ব আবদুর রহমান প্রার্থী হিসেবে চুড়ান্ত।বিগত সিটি নির্বাচনে ভোটের অংকে চমক দেখিয়েছে  দলটি।দিন দিন তৃণমূলে শক্তিশালী হচ্ছে দলটি।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশব্যাপি পরিচিত হয়ে উঠে দলটির প্রতীক হাতপাখা। হিংসকুদের হিংসার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি।

No comments:

Post a Comment

Pages